অপরাধ ও দূর্ঘটনাপ্রশাসনলিডস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি অসুস্থ রোগীর শরীরে মেয়াদোত্তীর্ণ স্যালাইন পুষ।

মোঃ শাহীন হাওলাদার / স্টাফ রিপোর্টার

বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবু হানিফ হাওলাদার (৬০) নামে এক অসুস্থ রোগীর শরীরে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি স্যালাইন পুষ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার (৬ এপ্রিল) সকালে এই ঘটনা ঘটে। শামীমা নামে এক নার্স প্রায় দুই মাস আগে মেয়াদ শেষ হওয়া স্যালাইন পুষ করেন তার শরীরে। এর পর থেকেই রোগীর শরীরে জ্বালা-যন্ত্রনা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। এ অবস্থায় উৎকণ্ঠায় রয়েছে রোগীর পরিবার।
রোগীর ছোট ছেলে জাকারিয়া হাওলাদার জানান, সকাল পৌনে ৭টার দিকে শামীমা নামে এক নার্স তার বাবার শরীরে হাসপাতাল থেকে সরকারি স্যালাইন পুষ করেন। স্যালাইনের প্রায় তিনের দুই ভাগ শেষ হয়। এমন সময় তার ছোট বোন হাসিনা বেগম স্যালাইনের গায়ে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ ০২/২০২২ লেখা দেখতে পান। পরে নার্সকে ডেকে বিষয়টি জানালে দ্রুত স্যালাইন খুলে ফেলা হয়।

স্যালাইন দেওয়ার পর থেকেই তার বাবার শরীরে জ্বালা-যন্ত্রনা শুরু হয়েছে। এনিয়ে তারা চিন্তায় আছেন।

হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. এস এম ফয়সাল আহমেদ বলেন, হানিফ হাওলাদার নামে ওই রোগী শরীর দুর্বল এবং জ্বালা-যন্ত্রনা নিয়েই হাসপাতালে আসেন। উচ্চ রক্তচাপও ছিল তার। এ অবস্থায় নার্স শামীমা স্যালাইনের মেয়াদ না দেখেই তার শরীরে পুষ করেছেন। এটা তার গাফিলতি। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিক আছেন। তাকে ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা অবজারভেশনে রাখা হবে।

ডা. এস এম ফয়সাল আরো বলেন, অভিযুক্ত নার্স শামীমাকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাকে এ বিষয়ে তিন দিনের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, স্টোরে স্যালাইন, ওষুধসহ মেয়াদোত্তীর্ণ অন্য কোনো মালামাল আছে কিনা সেব্যাপারেও স্টোর কিপার ও নার্সিং ইনচার্জকে খোঁজ নিতে বলা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button