ঢাকাপ্রকৃতি ও পরিবেশলিড

কাশফুলে হারাচ্ছে তরুন তরুনীদের মন

অবিরাম মুগ্ধতা সকল বয়সের মানুষের

এম এ হানিফ রানা- স্টাফ রিপোর্টার

” আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মোর বুক হাসে মোর চোখ হাসে ” আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ”

সৃষ্টির প্রতিটা সৃষ্টি একেকটা বিষ্ময়কর সুন্দর অথবা মুগ্ধকর ভয়ংকর সুন্দর হয়। তার বিশ্লেষণ ব্যাপক প্রতিটা সৃষ্টির। শরৎকালের কাশফুল নিয়ে অনেক কবিতা গান রচয়িতা হলেও আজো তথ্য প্রযুক্তির যুগেও হয়নি একটুও অম্লান। কিশোর কিশোরী অথবা তরুন তরুনী কিংবা বয়োজ্যেষ্ঠতা ছাপ পরলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মায়া মানুষের মনে আলাদা ভাবেই জায়গা দাখল করে আছে। বিশেষ করে বছরের এই সময়টা কাশফুলের সৌন্দর্য্যে হারিয়ে যায় তরুন তরুনীদের মন। স্যোসাল মিডিয়ার সুবাদে সেই সৌন্দর্য আটো ছরিয়ে যায় তেপান্তর ছারিয়ে দেশ থেকে দেশান্তরে। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের বেশি দেখা যায় এই মনোরম পরিবেশে হারিয়ে যেতে।
গাজীপুরেও তার ব্যাতিক্রম নয়। বেশ কয়েকটা স্হানে জন্ম নেয় এই কাশফুল। চরসিন্দু ব্রিজের পাশে, কাপাসিয়া, কড্ডার মোরে,মকস বিল সহ বেশ কিছু স্হানে দেখা মিলবে এই কাশফুলের। প্রেমিক মন কোথায় হারায় তার যেমন সঠিক সময় ক্ষন এবং স্হান মেলা দায় তেমনি তারই একটা অংশ হচ্ছে এই কাশফুলে হারানো।
এখানে সাধারণত উঠতি বয়সী এবং প্রেমিক যুগলই কিছুটা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে মিশে যেতে আসে। কিন্তু অনেক সময় বয়োজ্যেষ্ঠদেরও আগমন লক্ষনীয়ভাবে দেখা যায়। সময়টাকে স্মৃতির ফ্রেমে বন্দী রাখার জন্য ছলে ছবি তোলার প্রতিযোগিতা। মনের মাধুরী মিশিয়ে ছবি তুলে এবং অনেক ছবি জায়গা পায় বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়ার প্লাটফর্মে।
বিভিন্ন বয়সের মানুষদের সাথে এই সময়কে নিয়ে কথা বললে তারা জানান, ব্যাস্ত ও যানজটের দুনিয়ায় কোলাহল মুক্ত জায়গা পাওয়া অনেক কঠিন। আর এমনিতেও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ থাকে না। তাই সময় এবং সৌন্দর্যের মিলনমেলায় কিছুটূ সময় হারিয়ে যেতে এই কাশফুল দেখতে আশা। এবার কিছুটা জেনে নেই কাশফুল সম্পর্কে। কাশফুল মুলত একধরনের বহুবর্ষজীবী ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম হলো Saccharum spontaneum.এরা উচ্চতায় সাধারনত ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে ।এরা সাধারনত নদীর তীরে এবং খালের কুল ঘেসে জন্মায়। ফুলফোটা শ্বেতশুভ্র কাশবন দেখতে খুবই সুন্দর। এর আদিবাস রোমানিয়া।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
error: Alert: Content selection is disabled!!