ক্যারিয়ারঢাকালাইফস্টাইল

অদম্য ইচ্ছা শক্তি আর মানবিক মূল্য বোধই সফলতার চাবিকাঠি – মহিউদ্দিন চৌধুরী

এম এ হানিফ রানা, স্টাফ রিপোর্টার

যদি লক্ষ্য থাকে অটুট বিশ্বাস হৃদয়ে,
হবেই হবেই দেখা, দেখা হবে বিজয়ে।
হ্যা যদি মনে থাকে সাহস আর সামনে এগিয়ে যাওয়ার তীব্র বাসনা তবে কে তাকে আটকায়? যার মন কাঁদে মানুষ ও দেশের জন্য কিছু করার, তাকে কে দমিয়ে রাখবে? তেমনি ভাবে এমন মন বাসনা নিয়ে কঠিন পথ পারি দিয়ে তিনি আজ একজন সফল ব্যাক্তি। তিনি একাধারে সাংবাদিক, সংগঠক, লেখক, উদ্যোক্তা এবং একজন রাজনৈতিক ব্যাক্তি।

মহিউদ্দিন চৌধুরীর জন্ম হয় ৯ মে ১৯৯৫ সালে ঢাকা জেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ছোট বেলা থেকেই বেড়ে উঠেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এর দক্ষিনখানে, এক ভাই দুই বোনের মাঝে তিনি একমাত্র বড় ভাই। বাবা মোঃ হাবিবুর রহমান ছিলেন সরকারি চাকুরিজীবী এবং মা পরুল আক্তার একজন গৃহিনী। তিনি নটর ডেম কলেজে পড়াশোনা করার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখালেখি করতেন। তিনি গ্রাজুয়েশন শেষ করে একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং সুন্দর ভাবে পরিচালনা করে আসছেন। উত্তরা ০৪ নং সেক্টরে তার সিজন ফ্যাশন নামে বায়িং হাউজ অবস্থিত।

তিনি ২০১৬ সালে জনপ্রিয় অনলাইন প্রোটাল “দৈনিক কালের ছবি” পত্রিকায় রিপোর্টার হিসেবে যোগদান করেন ২০১৮ সালে “দৈনিক রাজপথ” পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন এবং ২০১৯ সালে সরকারি মিডিয়া ভুক্ত জাতীয় “দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি” পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক হিসেবে যুক্ত হোন।
এবং সুনামের সাথে কাজ করেন। ২০১৯ সালে তিনি এবং তার প্রিয় বন্ধু মনির খান দুইজন মিলে এশিয়ান মাদার এন্ড চাইল্ড সেফ ফাউন্ডেশন ঘঠন করেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হোন এবং বর্তমানেও দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার আগে ছাত্র জীবন থাকাকালীন সময়ে ২০১০ সালে “আদর্শ সমাজ উন্নয়ন সংস্থা গড়ে তুলেছিলেন, কাজ করেছেন “চ্যাঞ্জ অর্গানাইজেশন” “সাথে আছি ফাউন্ডেশন” “বিবেক ফাউন্ডেশন” এবং জাগো ফাউন্ডেশন সহ আরো অসংখ্য সেচ্ছাসেবী সংগঠনে। ২০২০ সালে “গাজীপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির” সিনিয়র সহ সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে নিজের মনোবলকে আরো চাঙ্গা করেন। ২০২১ সালে উত্তরা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি হোন এবং বর্তমানেও দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি বর্তমানে বহুল প্রচারিত জাতীয় “দৈনিক আলোচিত কন্ঠ” পত্রিকার ব্যবস্হাপনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়াও তিনি আরো বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। করোনা পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সময় গরীব দুখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের ঘরে ত্রান পৌছে দিয়েছেন মানবতার তাগিদে। মাস্ক বিতরন কর্মসূচির মাধ্যমে সকলকে স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং করোনা ভাইরাসে করনীয় নানা বিষয় জনসাধারণের মাঝে তুলে ধরেন। জীবনকে বিপদের সম্মুখীন করে তিনি পৌছে দিয়েছেন মানুষের মাঝে সাহায্য। সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলাতেও তার রয়েছে সরব উপস্হিতি। তিনি তার রাজনৈতিক গুরু বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার জাহান এম এ রহমান এর হাত ধরে রাজনীতি অঙ্গনে পদচারণ শুরু করেন এবং সকলের প্রিয় মুখ হয়ে উঠেন। জাহান এম এ রহমান এর প্রিয় বন্ধু চলচিত্র অভিনেতা ডি এ তায়েব ফ্যান ক্লাবেরও একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাত্তিত্ব মহিউদ্দিন চৌধুরী। বয়স যে সবসময় মূখ্য বিষয় নয় তিনি তা প্রমান করে দিয়েছেন। তাই তো কবি বলেছেন, “যৌবন যার যুদ্ধে যাওয়ার সময় তার”। এই যৌবন বয়সেই তিনি অনেকের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছেন।

সমসাময়িক নানান বিষয় নিয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দশ ও দেশের জন্য কাজ করে যেতে চাই। যতটুকু সম্ভব নিজেকে সকলের মাঝে তুলে ধরতে চাই। সত্যটাকে সকলের সামনে তুলে ধরার জন্য আমার এই সাংবাদিকতা, এই মহান পেশা কে আমি বুকে লালন করি শ্রদ্ধা জানাই। আমি সংগঠক এবং রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজের সাথে নিজেকে সবসময় সম্পৃক্ত রাখার চেস্টা করি। আমি বেশ কিছু সংবাদপত্র এবং ইলেক্ট্রিক মিডিয়াতেও কাজ করেছি তাই মানুষের মনের ভাষা গুলো বুঝি। তাছাড়া বেশ কিছু সংগঠনের সাথে যুক্ত আছি বিধায় নিজের কাজকে ভালোবাসতে শিখেছি। আমি চাই আমার দ্বারা যেনো প্রতিটা মানুষের উপকার হয়। সেই আশা নিয়ে বেঁচে থাকাই আমার অনুপ্রেরণা।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
error: Alert: Content selection is disabled!!